বাংলাদেশ পরিচিতি (Introduction to Bangladesh) – পৃথিবীর ৭ টি মহাদেশ (এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, এন্টার্কটিকা, ও অস্ট্রেলিয়া) মধ্যে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ এশিয়ার একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ। যে দেশে ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের মধ্যে ২০১৯ সালে এসে বাংলাদেশে প্রায় ১৭ কোটি মানুষের বসবাস।
আরও: বিশ্ব পরিচিতি
| দেশেরনাম | বাংলাদেশ |
| সাংবিধানিক নাম | গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ |
| রাজধানী | ঢাকা |
| ডায়ালিং কোড | +৮৮০ |
| আয়তন | ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার |
| জনসংখ্যা | ১৬ কোটি ৯০ লক্ষ (সি আই এ ২০১৫); ১৪,৯৭,৭২,৩৬৪ (আদমশুমারি ২০১১) |
| বিভাগ | ৮টি |
| জেলা | ৬৪টি |
| উপজেলা | ৪৯৫টি |
| ইউনিয়ন | ৪৫৫৬টি |
| মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহ | ৫৮টি |
| অধিদপ্তর ও অন্যান্য অফিস | ৩৫৩টি |
সূত্রঃ bangladesh.gov.bd – ২০১৮ইং
বাংলাদেশের হেল্পলাইন/ ইমারজেন্সি নাম্বারঃ ৯৯৯ ইংরেজি: 999 (যে কোন সময় কল করুন, যে কোন নাম্বার থেকে সম্পূর্ণ টোল ফ্রি)
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে, দক্ষিণে, পূর্বে, পশ্চিমে অবস্থিত জেলার নামসমূহ:
| বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত জেলার নাম | পঞ্চগড় |
| বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত জেলার নাম | কক্সবাজার |
| বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত জেলার নাম | বান্দরবান |
| বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমে অবস্থিত জেলার নাম | চাঁপাইনবাবগঞ্জ |
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং ছোট বিভাগ ও জেলা:
| বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ এর নাম | চট্রগ্রাম বিভাগ |
| বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ এর নাম | ময়মনসিংহ |
| আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলার নাম | রাঙ্গামাটি |
| আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলার নাম | নারায়ণগঞ্জ |
| জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা | ঢাকা |
| জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা | বান্দরবন |
বাংলাদেশের বিভাগ কয়টি ও কি কি
বাংলাদেশের মোট বিভাগ ৮টি। বাংলাদেশ এর বিভাগ গুলো হলঃ
বিভাগসমূহ
১। চট্টগ্রাম
২। রাজশাহী
৩। খুলনা
৪। বরিশাল
৫। সিলেট
৬। ঢাকা
৭। রংপুর
৮। ময়মনসিংহ
বাংলাদেশের জেলা কয়টি ও কি কি
বাংলাদেশের মোট জেলা ৬৪টি। বাংলাদেশ এর জেলা গুলো হলঃ
| চট্টগ্রাম | কুমিল্লা, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাঙ্গামাটি, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান |
| রাজশাহী | সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, রাজশাহী, নাটোর, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ |
| খুলনা | যশোর, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ |
| বরিশাল | ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরিশাল, ভোলা, বরগুনা |
| সিলেট | সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ |
| ঢাকা | নরসিংদী, গাজীপুর, শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর |
| রংপুর | পঞ্চগড়, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, কুড়িগ্রাম |
| ময়মনসিংহ | শেরপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোণা |
বাংলাদেশের জেলাসমূহ এর বিবরণ
বাংলাদেশ পরিচিতি তে এবার বাংলাদেশের জেলাসমূহ এর বিবরণ নিয়ে আলোচনা করব। আলোচনায় থাকছে, বাংলাদেশের জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থান, উল্লেখযোগ্য নদী, সংসদীয় আসন সংখ্যা, উপজেলার সংখ্যা, সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)। প্রথমে রংপুর বিভাগ এর জেলা সমূহ নিয়ে শুরু করছি।
রংপুর বিভাগ
১। পঞ্চগড়
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বারো আউলিয়ার মাজার, রকস্ মিউজিয়াম।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ করতোয়া
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫১.৮
২। ঠাকুরগাঁও
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ রাজা টংকনাথের বাসভবন, রানী সাগর।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ ট্যাঙ্ঘন
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৮.৭
৩। দিনাজপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ কান্তজীউ মন্দির, রামসাগর, স্বপ্নপুরী।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পুনভার্বা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১৩টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫২.৪
৪। নীলফামারী
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ নীলসাগর, নীলকুঠি, তিস্তা ব্যারেজ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ তিস্তা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৪.৪
৫। লালমনিরহাট
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ তিন বিঘা করিডোর, দহগ্রাম ছিটমহল।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ তিস্তা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৬.১
৬। রংপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ তাজহাট জমিদার বাড়ি, কারমাইকেল কলেজ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ তিস্তা নদী এবং ঘাঘট নদী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৮টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৮.৬
৭। কুড়িগ্রাম
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মোঘল আমলের মসজিদ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ ব্রহ্মপুত্র, ধরলা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪২.৫
। গাইবান্ধা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বৃশা মন্দির, নলডাঙ্গা জমিদার বাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ ঘাঘট
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪২.৮
রাজশাহী বিভাগ
৯। জয়পুরহাট
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ নিমাই পীর সাহেবের দরগাহ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ যমুনা, তুলসী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৭.৫
১০। বগুড়া
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মহাস্থানগড়, শীলা দেবীর ঘাট।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ করতোয়া
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৭টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১২টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৯.৪
১১। চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ ছোট সোনা মসজিদ, তাহখানা কমপ্লেক্স।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মহানন্দা, পদ্মা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪২.৯
১২। নওগাঁ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, কুসুম্বা মসজিদ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ আত্রাই
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১১টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৮.২
১৩। রাজশাহী
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ পঠিয়া রাজবাড়ি পুলিশ ট্রেনিং একাডেমী।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পদ্মা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৩.০
১৪। নাটোর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ উত্তর গণভবন, চলনবিল।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ আত্রাই
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৯.৬
১৫। সিরাজগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ যমুনা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪২.১
১৬। পাবনা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মানসিক হাসপাতাল, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পদ্মা, ইছামতি
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৬.৭
বাংলাদেশ পরিচিতি তে এবার দেখুন খুলনা বিভাগ এর জেলা সমূহ।
খুলনা বিভাগ
১৭। মেহেরপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ ভৈরব
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৩টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৬.৩
১৮। কুষ্টিয়া
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ গড়াই, পদ্মা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৬.৩
১৯। চুয়াডাঙ্গা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ দর্শনা চিনিকল, শ্যামনগর জমিদার বাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মাথাভাঙ্গা, নরগঙ্গা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৪টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৫.৯
২০। ঝিনাইদহ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ গাজী কালু চম্পাবতীর মাজার, সুইতলা মলিকপুরের বটগাছ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ নবগঙ্গা, কুমার
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৮.৪
২১। যশোর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সাগরদাঁড়ি, বিমানবন্দর এলাকা।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ কপোতাক্ষ, ভৈরব
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৮টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৬.৫
২২। মাগুরা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মোঘল আমলের মসজিদ, রাজবাড়ীর ধ্বংসাবশেষ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ নবগঙ্গা, গড়াই
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৪টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫০.৬
২৩। নড়াইল
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ কালীবাড়ি, রাধা গোবিন্দ মন্দির।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মধুমতি, চিত্রা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৩টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৬১.৩
২৪। বাগেরহাট
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ ষাট গম্বুজ মসজিদ, মংলা পোর্ট, সুন্দরবন, খানজাহান আলীর মাজার।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ দড়াটানা, মধুমতি
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৯.০
২৫। খুলনা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সুন্দরবন, হিরন পয়েন্ট।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ রূপসা, ভৈরব
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৬০.১
২৬। সাতক্ষীরা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সুন্দরবন, দক্ষিন তালপট্টি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ বেতনা, কপোতাক্ষ
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫২.১
বরিশাল বিভাগ
বাংলাদেশ পরিচিতি তে এবার দেখুন বরিশাল বিভাগ এর জেলা সমূহ।
২৭। বরগুনা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বিবিচিনা মসজিদ, বৌদ্ম মন্দির।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ বিশখালী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৭.৬
২৮। পটুয়াখালী
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ আগুনমুখা, পায়রা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৮টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৪.১
২৯। ভোলা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মনপুরা দ্বীপ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মেঘনা, তেতুলিয়া
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৩.২
৩০। বরিশাল
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ শেরে বাংলা যাদুঘর, বায়তুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ কীর্তনখোলা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১০টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৬১.২
৩১। ঝালকাঠি
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সুজাবাদ কেলা, ঘোষাল রাজবাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ বিশখালী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৪টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৬৬.৭
৩২। পিরোজপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ ছারছিনা পীর সাহেবের দরবার শরীফ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ বলেশ্বর
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫২.৭
বাংলাদেশ পরিচিতি তে এবার দেখুন সিলেট বিভাগ এর জেলা সমূহ।
সিলেট বিভাগ
৩৩। সুনামগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বাগবাড়ি টিলা, ছাতক সিমেন্ট কারখানা।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ সুরমা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১১টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৩৫.০
৩৪। সিলেট
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ হযরত শাহ্ জালাল (র) ও শাহ্ পরান (র) এর মাজার, জাফলং, চা বাগান।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ সুরমা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১২টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫১.২
৩৫। মৌলভীবাজার
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মাধুবকুন্ড জলপ্রপাত, শ্রীমঙ্গল চা বাগান।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মনু
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫১.১
৩৬। হবিগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ উচাইলের মসজিদ, চা বাগান।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ খোয়াই
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৮টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪০.৫
বাংলাদেশ পরিচিতি তে এবার দেখুন চট্রগ্রাম বিভাগ এর জেলা সমূহ।
চট্রগ্রাম বিভাগ
৩৭। ব্রাহ্মণবাড়িয়া
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ তিতাস
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৫.৩
৩৮। কুমিল্লা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ শালবন বিহার, ময়নামতি, বার্ড।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ গোমতী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ১১টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৩.৩
৩৯। চাঁদপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সাহেবগঞ্জের নীলকুঠি, নৌ-বন্দর, জজ নগর।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মেঘনা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৮টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৬.৮
৪০। ফেনী
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বিজয় সিংহের দিঘী, মুহুরী প্রজেক্ট।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ ফেনী, মুহুরি
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৯.৬
৪১। নোয়াখালী
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ নিঝুম দ্বীপ বজরা শাহী মসজিদ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ ডাকাতি, মেঘনা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫১.৩
৪২। লক্ষ্মীপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সাহাপুর নীলকুঠির বাড়ি, শ্রীরামপুর রাজবাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মেঘনা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৯.৪
৪৩। চট্রগ্রাম
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ ফয়’স লেক, পতেঙ্গা, সমুদ্র-বন্দর।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ কর্ণফুলী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ১৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১৪টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৮.৯
৪৪। কক্সবাজার
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সমুদ্র সৈকত, সেন্ট মার্টিন দ্বীপ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মাতামুহুরী, নাফ
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৮টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৩৯.৩
৪৫। খাগড়াছড়ি
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ আলুটিলা, মগ রাজার বাসস্থান।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ চিংগ্রী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ১টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৮টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৬.১
৪৬। রাঙ্গামাটি
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ ঝুলন্ত সেতু, কাপ্তাইন হ্রদ, পাহাড়ী এলাকা।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ কার্নফুলী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ১টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১০টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৯.৭
৪৭। বান্দরবন
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বোমাং রাজার বাড়ি, পাহাড়ী এলাকা।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ শঙ্খ, মাতামুহুরী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ১টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৩৫.৯
বাংলাদেশ পরিচিতি তে এবার দেখুন ময়মনসিংহ বিভাগ এর জেলা সমূহ।
ময়মনসিংহ বিভাগ
৪৮। জামালপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ যমুনা সার কারখানা, দয়াময়ী মন্দির।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ যমুনা, পুরাঃব্রহ্মপুত্র
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৩৮.৪
৪৯। শেরপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ গজনী আবকাশ কেন্দ্র।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৩৭.৯
৫০। ময়মনসিংহ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ গারো পাহাড়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ১১টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১৩টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৩.৫
৫১। নেত্রকোনা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ গারো পাহাড় অঞ্চল, দুর্গাপুরের জমিদার বাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মগরা, কংশ
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১০টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৩৯.৪
বাংলাদেশ পরিচিতি তে এবার দেখুন ঢাকা বিভাগ এর জেলা সমূহ।
ঢাকা বিভাগ
৫২। টাঙ্গাইল
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ কুমুদিনী হাসপাতাল, মধুপুরের গড়।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ যমুনা, ধলেশ্বরী
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৮টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১২টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৬.৬
৫৩। কিশোরগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ শোলাকিয়া ঈদগাহ, পাগলা মসজিদ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ ধলেশ্বরী, নরসুন্দা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৬টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ১৩টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর): ৪০.৯
৫৪। মানিকগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সাটুরিয়া জমিদার বাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পদ্মা, যমুনা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৭টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর): ৪৯.২
৫৫। মুন্সিগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ ইদ্রাকপুর দুর্গ, বলাল সেনের রাজবাড়ী।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পদ্মা, মেঘনা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর): ৫৬.১
৫৬। ঢাকা
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সংসদ ভবন, যাদুঘর, লালবাগ কেল্লা, চিড়িয়াখানা।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ বুড়িগঙ্গা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২০টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৭০.৫
৫৭। গাজীপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ আনসার একাডেমী, ধান ও কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ তুরাগ
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৬২.৬
৫৮। নরসিংদী
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ পারুলিয়া মসজিদ, ঘোড়াশাল সার কারখানা।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মেঘনা, আড়িয়াল খাঁ
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৯.৬
৫৯। নারায়ণগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সোনারগাঁ লোকশিল্প যাদুঘর, তাজমহল।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ শীতলক্ষ্যা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৫টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৭.১
৬০। রাজবাড়ী
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ সওদাগর দিঘী, জমিদার বাড়ি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পদ্মা, কুমার
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ২টি
উপজেলার সংখ্যাঃ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫২.৩
৬১। ফরিদপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ মথুরাপুরের মন্দির, আটরশি পীর সাহেবের দরবার।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ আড়িয়াল খাঁ
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৪টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৯টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৯.০
৬২। গোপালগঞ্জ
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ মধুমতি
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৫টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৫৮.১
৬৩। মাদারীপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ আউলিয়াপুরের নীলকুঠি, সেনাপতি দিঘী।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পদ্মা, আড়িয়াল খাঁ
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৪টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৮.০
৬৪। শরীয়তপুর
জেলার ঐতিহাসিক/ দর্শনীয় / উল্লেখযোগ্য স্থানঃ ফতেহজংপুর কেল্লা, বিলাসখান মসজিদ।
উল্লেখযোগ্য নদীঃ পদ্মা, মেঘনা
সংসদীয় আসন সংখ্যাঃ ৩টি
উপজেলার সংখ্যাঃ ৬টি
সাক্ষরতার হার % (৭+বছর)ঃ ৪৭.৩
বাংলাদেশ পরিচিতি নিয়ে আরো তথ্য জানুন এখানে: বাংলাদেশ | ফেসবুক: Kuhudak

এই পোস্টে আপনার প্রথম মন্তব্য করুন
You must be logged in to post a comment.